স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

 

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী হলো ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর নয়মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ৫০ বছরপূর্তি পালনের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃৃক ঘোষিত একটি বার্ষিক পরিকল্পনা। সরকার ২৬ মার্চ ২০২১ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের ঘোষণা দেয়।পরবর্তীতে তা ৩১ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

আভিধানিক ভাষায়, "সুবর্ণজয়ন্তী" শব্দটি মূলত কোনো ঘটনার ৫০ বছরপূর্তিকে নির্দেশ করে।



বাংলাদেশকে জানুন

প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যে ভরা আমাদের এই বাংলাদেশ। এই দেশে পরিচিত অপরিচিত অনেক পর্যটক-আকর্ষক স্থান আছে। এর মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক মসজিদ এবং মিনার, পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত, পাহাড়, অরণ্য ইত্যাদি অন্যতম। এদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি এলাকা বিভিন্ন স্বতন্ত্র্র বৈশিষ্ট্যে বিশেষায়িত ।

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। বাংলাদেশের উত্তর সীমানা থেকে কিছু দূরে হিমালয় পর্বতমালা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ি এলাকা। অসংখ্য নদ-নদী পরিবেষ্টিত বাংলাদেশ প্রধানত সমতল ভূমি। দেশের উল্লেখযোগ্য নদ-নদী হলো- পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, সুরমা, কুশিয়ারা, মেঘনা ও কর্ণফুলী। একেকটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও খাদ্যাভ্যাস বিভিন্ন ধরনের। বাংলাদেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেশ যার বাস সুন্দরবনে। এছাড়াও এখানে রয়েছে লাল মাটি দিয়ে নির্মিত মন্দির। এদেশে উল্লেখযোগ্য পর্যটন এলাকার মধ্যে রয়েছে: শ্র্রীমঙ্গল, যেখানে মাইলের পর মাইল জুড়ে রয়েছে চা বাগান। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে–ময়নামতি, মহাস্থানগড় এবং পাহাড়পুর। রাঙ্গামাট, কাপ্তাই এবং কক্সবাজার প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য খ্যাত। সুন্দরবনে আছে বন্য প্রাণী এবং পৃথিবীখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট এ বনাঞ্চলে অবস্থিত ।



এক নজরে বাংলাদেশ

সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ

সাপ্তাহিক ছুটি: শুক্রবার ও শনিবার। কিছু কিছু অফিস শনিবার খোলা থাকে।

আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড : +৮৮০

আন্তর্জাতিক সময় অঞ্চল: বিএসটি (জিএমটি +৬ ঘণ্টা)

 

জনগণ

জনসংখ্যা : ১৬.৮২ কোটি (সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৭% 

জনসংখ্যার ঘনত্ব/বর্গকিলোমিটার: ১,১৮০ জন 

জন্মহার: প্রতি হাজারে ১৮.৮ জন 

মৃত্যুহার : প্রতি হাজারে ৫.১ জন

স্বাক্ষরতার হার : ৭৫.২% 




ভাষা 

বাংলা (জাতীয় ভাষা) - ৯৫% জনগণ

অন্যান্য ভাষা - ৫%

ইংরেজির ব্যবহার প্রচলিত আছে।






ভূগোল

ভৌগোলিক অবস্থান :

২০° ৩৪'  উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং 

৮৮° ০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ

 

আয়তন : ১৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার (ভূমি : ১৩৩,৯১০ বর্গ কিলোমিটার, জলজ : ১০,০৯০ বর্গ কিলোমিটার)

 

সীমানা :

উত্তরে ভারত (পশ্চিমবঙ্গ আর মেঘালয়)

পশ্চিমে ভারত (পশ্চিম বঙ্গ )

পূর্বে ভারত (ত্রিপুরা ও আসাম) এবং  মিয়ানমার

দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর

সীমানা দৈর্ঘ্য : ৪,২৪৬ কিমি. (মায়ানমার : ১৯৩ কিমি., ভারত : ৪,০৫৩ কিমি.) 

 

সমুদ্র সীমানা : ৫৮০ কিমি.

মহীসোপান : মহাদ্বীপীয় মার্জিন বাইরের সীমা অবধি

বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকা : ২০০ নটিক্যাল মাইল 

সমুদ্র এলাকা : ১২ নটিক্যাল মাইল